উপসম্পাদকীয়ঃ
আজ ৮ মার্চ।আন্তর্জাতিক নারী দিবস।সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আজ দেশেও পালিত হচ্ছে নারী দিবস।নারী দিবসের উদ্দেশ্য হলো নারীর ক্ষমতায়ন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সকল প্রকার বৈষম্য দূর করা।কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তী সময় হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিবেচনা করলে দেখা যায় যে,সাম্প্রতিক সময়ে নারীরা সবচেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিনযাপন করছে।এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে,গত দুই মাসে ধর্ষণের সংখ্যা প্রায় আটশো এর অধিক।এর মাঝে আবার ধর্ষণ পরবর্তী খুনেরও একাধিক ঘটনা রয়েছে।আজ সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদেরকে তাদের নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে স্টাটাস দিতে দেখা যায়।একজন বলেন”একজন নারীর পাহাড়ে উঠা যতটুকু সহজ,ঢাকার রাস্তায় চলাচল করা তার চেয়েও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে” । চাকরিজীবী মহিলা,স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় দুশ্চিন্তায় ভুগতেছে।ধর্ষকের হাত থেকে শিশু থেকে বৃদ্ধ, রাস্তার পাগল মহিলার পর্যন্ত রেহাই মিলছে না।কোথাও কোথাও সংঘবদ্ধ ধর্ষনের খবর ও পাওয়া যাচ্ছে।কিন্তু বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের ধর্ষনের জোরালো কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে ধর্ষকের উৎপাত বেড়ে গেছে বলে মনে করেন সাধারণ নারীরা।যে নারীর গর্ভেই পুরুষের জন্ম,যে নারীর স্তন পান করেই পুরুষের বেড়ে উঠা,সেই নারীর প্রতিই কেন এত নির্মম অত্যাচার।তাদের প্রতি কেন লোলুপ দৃষ্টি?তারাই কেন নিরাপত্তাহীনতায়?নারী জাতির উপর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও তাদের নিরাপত্তা প্রদানই হোক আমাদের অঙ্গিকার।
Leave a Reply